‘গ্লোবাল
ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টা’ সাধারণত
বন্দর নগরীতে প্রতিষ্ঠিত হয়ে
থাকে এবং ‘কম্পিউটার নেটওয়ার্কের’
মাধ্যমে বিভিন্ন মালামাল কোথায় কত দামে
কি পরিমাণে কখন পাওয়া যায়
তার একটি ডাটাবেজ (তথ্য
ভান্ডার) তৈরি এবং রক্ষণা
বেক্ষণ করা হয়।
তুলনামূলক কম দামে যথেষ্ট
পরিমাণ মালামালের চাহিদা যদি অন্যত্র
বেশি মূল্যে যথেষ্ট পরিমাণে
থেকে থাকে, ব্যবসায়িক কর্মকান্ডরূপে
তা কম দামে গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউশন
সেন্টারে আনায়ন করে পুনরায়
প্যাকিং করে বেশি দামে
যেখানে চাহিদা রয়েছে সেখানে
তা প্রেরণ করা (দেশে বা বিদেশে) ‘গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউশন
সেন্টারের’ মুখ্য ব্যবসা এবং
এই ব্যবসা গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউশন
সেন্টার/সিস্টেম নামে পরিচিত।
এ পদ্ধতি ইন্দোনেশিয়া, চায়না,
ফিলিপাইনে অত্যন্ত সাফল্য অর্জন করেছে। সাধারণত, ‘গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের’ মাধ্যমে ওয়্যার হাউজ (গুদাম)
অথবা স্পোসালাইজড বিল্ডিং (বিশেষায়িত ভবন) অথবা রেফ্রিজারেশন
(শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত) গুদামে অন্য
দেশ হতে পন্য সামগ্রী আনায়ন করে রক্ষণাবেক্ষণ
করা হয় এবং যেখানে তার চাহিদা
রয়েছে সেখানে প্রেরণ করা
হয়।
গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউশ সেন্টারের ধারণা
