নিন্দুকের মুখে ছাই মারুন

মানুষে কি বলবে এই কথায় কান না দিয়ে ছোট ব্যবসা, অথবা চাকুরীতে যোগদান করুন, একদিন সফল হবেন- ইন-শা-আল্লাহ।

মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৭

কোদালপুরে একই দিনে দুই জনের অকাল মৃত্যু !! এলাকায় শোকের ছায়া।

গতকাল (11/12/2017) ইং তারিখে শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর ইউনিয়নের বালুচর বাজার নিবাসী মোঃ লিটন সরদার ও মোঃ মিজান বেপারী অকাল মৃত্যু বরণ করেন। একই দিনে দুইজনের অকাল মৃত্যুতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

                      লিটন সরদার

সোমবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭

টোরাজা উপজাতি- বছরের পর বছর মৃত দেহের সাথে বসবাস!

মৃত্যুর পরে আত্মা নিয়ে রহস্যের শেষ নেই। প্রধান প্রধান ধর্মের মূল কনসেপ্ট (বিশ্বাস) হলো মৃত্যুর পর আত্মা কৃতকর্ম অনুযায়ী স্বর্গে অথবা নরকে যায়| সেজন্য  মৃত্যুর পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দেহেকে সমাধিস্থ করে। প্রধান কয়েকটি ধর্ম ব্যতিত অন্য সব ধর্মের আত্মার প্রস্থানের মতবাদে কিছুটা ভিন্নতা আছে; বিশেষ করে উপজাতীয়দের ধর্মীয় মতবাদে আত্মা সম্পর্কে ভিন্নতা দেখা যায়। কোন কোন উপজাতী বিশ্বাস করে মৃত্যুর পর আত্মা পুনরায় আগমণ করে। আবার অনেক উপজাতী কিংবা আদিবাসী বিশ্বাস করে মৃত্যুর সাথে সাথে আত্মা ইতি ঘটে। উপজাতী কিংবা আদবাসীদের বিশ্বাস অনুযায়ী মৃত্যুর পর দেহ থেকে আত্মার বিদায় নিয়ে পরপারে চলে যায় কিংবা পুনরায় বিভিন্নরুপে পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারে। এই বিশ্বাসগত কারণে তারা জাকজমকপূর্ণভাবে মৃতদেহের কুলখানি করে আত্মার বিদায় দিয়ে থাকে। ইসলাম ধর্মেও মৃত দেহের জানাযা পড়ে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দেহকে কবরাস্থ করা হয়।


তবে আত্মার প্রস্থান বিশ্বাসে একটি উপজাতীদের মধ্যে ব্যতিক্রম আছে। তারা হলো দ্বীপ রাষ্ট্র ইন্দোনোশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপের টোরাজা উপজাতি। টোরাজা উপজাতিরা মৃত দেহের সাথে বসবাস করে মাসের পর মাস বছরের পর বছর। তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তিরা তাদের জীবনের একটি অংশ। মৃতরা তাদের ইহ জগৎের মায়া ত্যাগ করতে সময় লাগে, তাই মৃত দেহ তাদের কাছে থাকা অধিক মঙ্গলজনক। অন্য দিকে মৃত ব্যক্তিদের কাছের আত্মীয় যারা আছেন তাদের মোহ বা মায়া ত্যাগ করতেও কিছুটা সময় লাগে। তাই উভয়ে পাশাপাশি থাকতে পারলে এই কষ্ট কিছুটা লাগব হয়। নিম্নে টোরাজা উপজাতিদের মৃতদেহের সাথে বসবাস সম্পর্কে আলোচনা করা হলোঃ

বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৭

কোদালপুর ইউনিয়ন পরিচিতি

নামকরণঃ কোদালপুর ইউনিয়নের নামকরণের সঠিক ইতিহাস জানা যায়নি। ধারণা করা হয়, প্রাচীনকালে নদীর বুকের চর জাগার কারণে এক শ্রেণির মানুষজন মাটিকাটা ও বালুকাটার সাথে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েন। তাছাড়া অত্র এলাকার একটি সম্প্রদায় আদি কালে খাল কাটা ও রাস্তা নির্মাণ কাজে শ্রমিক হিসেবে জড়িয়ে পড়েন। এই সম্প্রদায়ের লোকজন যখন কাজ শেষে ঘরে ফিরত তখন তাদের হাতে ও কাঁধে কোদাল থাকত। এই কোদাল মেরামত ও বিপণী করার জন্য একটি বাজার ভিত্তিক ব্যবসা কেন্দ্র গড়ে উঠেছিল। সেই থেকে অত্র এলাকার নাম হয় কোদালপুর। পরবর্তীতে নদী ভাঙ্গার আগ পর্যন্ত এই সম্প্রদায় এখানে টিকে ছিল। কিন্তু নদী ভাঙ্গা শুরু হলে তারা অন্যত্র বিশেষ করে পার্শ্ববর্তী চাঁদপুর, হাইমচর, মুলাদী ও বরিশালে চলে যায়। নদী ভাঙ্গার কয়েক যুগ পর পুনরায় চর জাগলে আগের নাম (কোদালপুর) বহাল থাকে।

মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৭

জেনে নিন কিভাবে লিখতে হয় সমিতির নীতিমালা

বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে প্রতিটি গ্রামে সমবায় সমিতির আধিক্য লক্ষণীয়। এই সমিতি পরিচালনা করার জন্য নিয়মনীতি জানা এবং তৈরী করা আবশ্যক। যাতে সমিতি সুষ্ঠভাবে পরিচালনা করা যায়। কিন্তু আমাদের দেশে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সমিতির নিয়ম/সংবিধান/ধারা লিখতে গিয়ে প্রয়োজনীয় অনেক কিছু বাদ পড়ে যায়। আজকে সমবায় সমিতির নিয়ম/ধারা/সংবিধান লেখার সম্পর্কে আলোচনা করব।
চিত্রঃ সমবায় সমিতির নমুনা লোগো

প্রস্তাবনাঃ “বালুচর সঞ্চয় সমবায় সমিতি” একটি আর্থ সামাজিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। সুদমুক্ত অর্থনৈতিক ভিত্তি গঠনের জন্য, অর্থ সঞ্চয়  ও পরিচালা এবং ব্যবসায়িক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহন করাই এর মূল লক্ষ এবং প্রধান কাজ বলে বিবেচিত হবে। স্থানীয় এলাকার তরুন ও যুব সমাজ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সুদমুক্ত সঞ্চয় ও ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে মুনাফা অর্জন করে আত্মনির্ভরশীল জীবন গঠনের জন্য আলাপ আলোচনার মাধ্যমে “বালুচর সঞ্চয় সমবায় সমিতি” নামে একটি সমবায় সমিতি গঠন করে। সমিতির কার্যক্রম সুশৃঙ্খল ও অবিচল পথ চলার জন্য এর একটি সাংবিধানিক নিয়ম কানুন প্রয়োজন হয়ে পড়ে, সে লক্ষে সমিতির সকল সদস্যগণ নিমোক্ত ধারা/নিয়ম/সংবিধান প্রনয়ণ করেন।

সোমবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৭

জেনে নিন কিভাবে লিখতে হয় বাড়ী ভাড়া চুক্তিনামা

বিস্মিল্লাহির রাহমানির রাহিম
বাড়ী ভাড়ার চুক্তিপত্র
নিয়ম:01


তারিখঃ

১ম পক্ষঃ
  মোঃআজিজুল ইসলাম (বাড়ীওয়ালা)
বাইপাইল, আশুলিয়া, ঢাকা।
(স্থায়ী ঠিকানাঃ মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭)।

২য় পক্ষঃ
মোঃ আহসান হাবীব (ভাড়াটিয়া)
ম্যানেজিং ডিরেক্টর
দেশ বিদেশ গার্মেন্টস লিঃ
আশুলিয়া, ঢাকা।

রবিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৭

জেনে নিন ইন্ডিয়ান ভিসার ছবির সাইজ

বর্তমান বিশ্বে ইন্ডিয়া বা ভারত একটি উদয়ীমান অর্থনীতির দেশ। দেশটি অর্থনীতিতে দিন দিন সমৃদ্ধি অর্জণ করছে। ইন্ডিয়া তথা ভারত একটি বৃহৎ রাষ্ট্র যার প্রতিটি প্রদেশে রয়েছে আলাদা আলাদা ভাষাভাষি মানুষ এবং আলাদা আলাদা সাংস্কৃতি। ইন্ডিয়াতে রয়েছে অনেকগুলো প্রত্মতাত্বিক নির্দেশন ও ঐতিহাসিক স্থান, এ স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- আগ্রার তাজমহল, ভূস্বর্গ কাশ্মির, কুতুব মিনার, অজান্তা গুহা সমূহ ইত্যাদি। তাছাড়া বিশ্ব বাণিজ্যে ভারত একটি উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করে আছে। তাই প্রতি বছর লাখো-কোটি মানুষ ভারতে গমন করে থাকেন। তবে চাইলেই ভারত যাওয়া যায়না, তার জন্য কতগুলো আনুষ্ঠানিকতা সাড়তে হয়, এই আনুষ্ঠানিকতার অন্যতম অনুষঙ্গ হলো অনলাইনে এপ্লিকেশন ফরমে সঠিক সাইজের ছবি আপ্লোড করা। আবেদন ফর্মে আবশ্যি ছবি সংযোজন করা লাগে। কিন্তু আমারা অনেকে ছবির সঠিক সাইজ না জানার কারণে বিভিন্ন ঝামেলার সন্মুখীন হই। নিম্নে ভারত বা ইন্ডিয়ান ভিসা এপ্লিকেশনের ছবির সাইজ সম্পর্কে আলোচনা করা হলোঃ

বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৭

গোসাইরহাট- অসংখ্য ভুলে ভরা গোসাইরহাট উপজেলার সরকারী ওয়েবসাইট

মাঝে মাঝে হাতে কাজ না থাকলে নেটে ডু মেরে নানান কিছু জানতে চেষ্টা করি। আজকে গোসাইরহাট উপজেলার সরকারী ওয়েব সাইটে ঢুকে মাথা নষ্ট হওয়ার উপক্রম। অসংখ্য ভুলবাল নিজিষ চোখে পড়ল। ভুল তথ্য ও মনগড়া কিছু লেখা দেখলাম। এবার আসুন তার কিছু নমুনা ও স্কিন শর্ট দেখি।

সোমবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৭

যোগাযোগ- সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য, উপাদান, মাধ্যম ও পদ্ধতি সমূহ

যোগাযোগঃ মানুষ পৃথিবীতে আর্বিভাবের পর থেকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ শুরু করেছে নিজেদের প্রয়োজনের কারণে। প্রথম অবস্থায় মানুষ ইশারায় বা সাংকৃতিক ভাষায় যোগাযোগ রক্ষা করে চলতেন। পরবর্তীতে ভাষার পূর্ণ বিকাশ ঘটলে একে অপরের সাথে শব্দ বা বাক্যের বিণিময়ে যোগাযোগ প্রচনলন শুরু হয়। বর্ণমালা আবিস্কারের পর মানুষ লিখিত যোগাযোগের প্রচলন ঘটান। পরবর্তীতে যোগাযোগ প্রযুক্তি আবিস্কার হলে যোগাযোগ মাধ্যমের বিপ্লব ঘটে। বর্তমানে, রেডিও, টেলিভিশন, প্রিন্ট মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইন্টারনেট ভিত্তিক যোগাযোগ প্রবস্থা যোগাযোগ মাধ্যম কে করেছে অধিক গতিশীল। এতে যেমন সময় সাশ্রয় হয় এবং তথ্য আদান প্রদান ঘটে মহুর্তের মধ্যে।  নিম্নে যোগাযোগ ব্যবস্থার নানা দিক আলোচনা করা হলো।

চিত্র: যোগাযোগ ব্যবস্থার মডেল

যোগাযোগঃ যোগাযোগ শব্দের ইংরেজী প্রতিশব্দ হলো- Communication, এই Communication kãwU j¨vwUb kã Communicare  থেকে এসেছে।

শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭

পরিবার কাকে বলে এবং তার প্রকারভেদ

মানুষ সামাজিক জীব। তাই মানুষ কে সমাজে বসবাস করতে হলে পারিবারিক পরিচয় বহন করতে হয়। মানুষের জীবনে পারিবারিক শিক্ষা, শিষ্টাচার ব্যাপক ভূমিকা রাখে। মানুষ অলিখিতভাবে সামাজিক সন্মান, ক্ষমতা, এবং আঞ্চলিক কর্তৃত্ব অনেকটা পরিবার থেকে পেয়ে থাকে। পরিবারের বিভিন্ন প্রকারভেদ আছে। নিন্মে পরিবার এবং তার প্রকারভেদ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।


পরিবার: পরিবার হলো একটি প্রাচীনতম সংগঠন। পিতামাতা যৌন সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে এই সংগঠন গঠন করে, এবং সন্তান সন্তানাদি উৎপাদন ও লালন পালনের মাধ্যমে তার অস্তিত্ব ধরে রাখে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৭

জেনে নিন প্যারোল ব্যবস্থার নানা দিক


‘পাপীকে নয় পাপকে ঘিনা কর’ এই মূল মন্ত্রে উজ্জবীত হয়ে প্যারোল কার্যক্রম পরিচালিত হয়।উনিশ শতকের আগে প্যারোলের সাথে কেউ পরিচিত ছিলনা। মধ্যযুগে মূলত অপরাধীরা রাজ-রাণীর ইচ্ছা বা দয়ামায়ায় উপর ভিত্তি কের যন্ত্রণার কারাগার থেকে মুক্তি পেতেন। উনিশ শতকের পর প্যারোল ব্যবস্থা আইনগত ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়।


প্যারোল প্রর্বতনে স্কটল্যান্ডের আলেকজান্ডার ম্যাকোনিওচি এর ভূমিকা অপরিসীম। তিনি

পৃষ্ঠাসমূহ